চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে একটি প্লাস্টিক কারখানায় লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানায় ফায়ার সার্ভিস।
এর আগে, শনিবার বিকেলে এ আগুন লাগে। তবে এতে হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
.png)
চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক ফারুক হোসেন সিকদার বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি গাড়ি ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। কিন্তু পথিমধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে খবর পেয়ে তারা স্টেশনে ফিরে আসে। আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি।
এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের সময় ফায়ার সার্ভিসকে সহজে পানি পাওয়ার সুবিধা দিতে চট্টগ্রাম মহানগরীতে ১৭৩টি ফায়ার হাইড্রেন্ট স্থাপনের কাজ করছে চট্টগ্রাম ওয়াসা। নগরে ওয়াসার পানি সরবরাহ পর্যাপ্ত হওয়ায় এবং জরুরি মুহূর্তের প্রয়োজন বিবেচনায় ওয়াসা এ উদ্যোগ নিয়েছে।
চট্টগ্রাম ওয়াসা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রাকৃতিক পানির উৎস বিশেষ করে পুকুর ক্রমাগতভাবে কমে যাওয়ায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নগরীর কোথাও আগুন লাগলে মারাত্মক পানির সংকটে পড়ে অগ্নিনির্বাপক দল। পানির পর্যাপ্ত সরবরাহের অভাবে অনেক সময় আগুন নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিপুল পরিমাণ সহায়-সম্বল, বাড়িঘর হারানোর পাশাপাশি প্রাণহানির ঘটনাও ঘটে। বিষয়টি চট্টগ্রাম ওয়াসা দীর্ঘদিন ধরে লক্ষ্য করে আসছিল। তাই প্রথম সুযোগেই ফায়ার হাইড্রেন্ট স্থাপনের মাধ্যমে ফায়ার সার্ভিসকে পানির উৎস পেতে সুবিধা করে দিচ্ছে। নগরীর ৪১ ওয়ার্ডে মোট ১৭৩ টি ফায়ার হাইড্রেন্ট স্থাপন করা হবে।
চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী মাকসুদ আলম বলেন, নগরীতে পর্যাপ্ত পানি সরবরাহের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম ওয়াটার সাপ্লাই অ্যান্ড স্যানিটেশন প্রজেক্টের ফিজিবিলিটি স্টাডির সময় জাপানের কনসালট্যান্ট প্রতিষ্ঠান ‘এনজিএস’ ফায়ার হাইড্রেন্টসহ একটি আধুনিক ও পূর্ণাঙ্গ নগরীর জন্য কিছু অপরিহার্য সুবিধার প্রস্তাবনা তুলে ধরে। ফিজিবিলিটি স্টাডি’তে দেওয়া নকশায় ফায়ার হাইড্রেন্টের জন্য সুনির্দিষ্টভাবে স্থান নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। আমরা নকশাসহ আমাদের প্রস্তাবনা ফায়ার সার্ভিসের কাছে পেশ করি। ফায়ার সার্ভিস প্রথমে একটু সময় নিলেও পরে আগ্রহ প্রকাশ করে। এরপর দুই প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞ পর্যায়ে বৈঠকে বসে নগরীর ৪১ ওয়ার্ডের জন্য সুবিধাজনক স্থানে ১৭৩ টি ফায়ার হাইড্রেন্ট বসানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়। এ ক্ষেত্রে বসতি ও পানির প্রাপ্যতার ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।