জাহেদ হাসান বলেন, আব্বা বাসস্ট্যান্ডে ডিম বিক্রি করেই আমাদের সংসার চালাতেন। মাঝেমধ্যে রাতে মাছ ধরতে যেতেন। গতকাল মাছ ধরতে গেছিল। আমাদের দুই ভাইকে পড়তে বলতো সব সময়। টাকা পয়সা নিয়ে চিন্তা না করতে বলতো। বলতো তোরা ভালো করে পড়।
শেহের আলীর প্রতিবেশী তরিকুল ইসলাম বলেন, দুই ছেলেকে পড়ালেখা করানো, আর সংসার খরচ চালিয়ে বাড়িটা করতে পারেনি শেহের আলী। কোনো রকমে থাকত। ওই ছিল পরিবারটার এক মাত্র উপার্জনের মাধ্যম। এখন পরিবারটা অনেকটাই চাপে পড়ে গেল। ছেলে দুইটা এখনও উপার্জন করা শেখেনি।
.png)