বৃহস্পতিবার দুপুরে দিনাজপুরের বিরামপুর সরকারি কলেজ মাঠে বরযাত্রী নিয়ে হেলিকপ্টারটি নামে। হেলিকপ্টারে করে বর এসেছেন এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে বিয়ে বাড়ি ও কলেজ মাঠে ভিড় জমান আশপাশের লোকজন।
বরের নাম ইমরান হোসেন। তিনি রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ইসমাইল হোসেনের ছেলে। ইমরান পেশায় টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার। কনে ইফফাত জাহান বিরামপুর উপজেলার শিমলতলী এলাকার মিজানুর রহমানের মেয়ে। ইফফাত জাহান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের ছাত্রী।
.png)
মেয়ের বাবা মিজানুর রহমান জানান, বিশ্বে করোনাভাইরাসের প্রকোপ দিন দিন বাড়ছে। এর মধ্যে সরকার বেশ কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। সে কারণে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে স্বল্প পরিসরে বিয়ের আয়োজন করা হয়েছে। বিকেল ৪টার মধ্যেই তারা হেলিকপ্টারে চলে যাবেন।
হেলিকপ্টার নিয়ে বিয়ে করতে আসার বিষয়ে বর ইমরান হোসেন বলেন, আসলে এটা আমার মা-বাবার শখ ছিল। এছাড়া দেশের করোনা পরিস্থিতি মোটেও ভালো না। দিন দিন সংক্রমণ বাড়ছে। ফলে দায়িত্ব বোধ থেকেই স্বল্প পরিসরে হেলিকপ্টার নিয়ে বিয়ে করতে এসেছি।
বরের বাবা ইসমাইল হোসেন বলেন, হেলিকপ্টারে করে আমার ছেলের বিয়ে হবে- এ স্বপ্ন আমার দীর্ঘদিনের। সেই স্বপ্ন আজ পূরণ হলো। হেলিকপ্টারে বরসহ তিনজন যাত্রী বহন করা হয়।
বিরামপুর থানা পুলিশের পরিদর্শক (এসআই) আবু হানিফ জানান, দুপুরের দিকে হেলিকপ্টার যোগে বিরামপুর সরকারি কলেজ মাঠে অবতরণ করেন এক প্রকৌশলী বর। সেখানে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ নিরাপত্তা দিয়েছে।