বাদাম বিক্রেতা রাজুর সঙ্গে হাত মেলালেন প্রধানমন্ত্রী, উচ্ছ্বাসে বললেন ‘জীবন সার্থক’
খুলনার দাকোপে সফরকালে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় স্থানীয় বাদাম বিক্রেতা রাজুর সঙ্গে হাত মেলান তিনি। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাত মেলাতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে রাজু বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। আমি কার সঙ্গে কথা বললাম! আমার জীবন সার্থক।’
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ১০টা ২৮ মিনিটে হেলিকপ্টারে খুলনার দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে সেখান থেকে হেঁটে নলিয়ান কোস্টগার্ডের পন্টুনের দিকে যান তিনি।
পথের দুপাশে দাঁড়িয়ে থাকা বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান তারেক রহমান। এ সময় নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে তাকে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রীও অনেকের সঙ্গে হাত মেলান এবং কয়েকজনের মাথায় হাত বুলিয়ে দেন।
এ সময় স্থানীয় বাদাম বিক্রেতা রাজুর সঙ্গেও হাত মেলান প্রধানমন্ত্রী। আবেগাপ্লুত রাজু তাকে ধন্যবাদ জানান। পরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। আমি কার সঙ্গে কথা বললাম! আমার জীবন সার্থক। বাদাম বেচি। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে হাত মিলিয়েছি। আর কী লাগে।’
সকাল ১০টা ৪৮ মিনিটে নলিয়ান কোস্টগার্ডের পন্টুন থেকে নৌপথে মোংলার উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে তিনি বানৌজা মোংলার জেটিতে পৌঁছান। এরপর দুপুর ১টায় মধ্যাহ্নবিরতির কর্মসূচি রয়েছে তার। বেলা ১টা ৪৫ মিনিটে ওয়ার্ডরুমের সভাকক্ষে আয়োজিত সভায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
বিকেলে মোংলা বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম ও জেটি পরিদর্শনের পরিকল্পনা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। বেলা ৩টা ১৫ মিনিটে প্রস্তাবিত বেজা ইকোনমিক জোন এলাকা পরিদর্শন করবেন তিনি।
দিনব্যাপী সরকারি কর্মসূচি শেষে বিকেল ৪টায় মোংলার হেলিপ্যাড থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে তার। বিকেল ৫টায় ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বাণিজ্যমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল, খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য আমির এজাজ খান, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুন, জেলা প্রশাসক মিজ হুরে জান্নাতসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।