সোমবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে নাগরপুর উপজেলা হলরুমে লটারি চলাকালীন মারামারি হলে তা স্থগিত করে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সিফাত ই জাহান।
জানা গেছে, ২০২১-২২ অর্থ বছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে গ্রামীণ রাস্তায় ১৫ মিটার দৈর্ঘ্য সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর নাগরপুর উপজেলায় ১০টি সেতুর জন্য সাত কোটি ২৩ লাখ ৭৫ হাজার ১২৬ টাকার দরপত্র আহ্বান করা হয়। দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল ২০২২ সালের ৫ জানুয়ারি।
.png)
সোমাবার ছিল লটারির নির্ধারিত দিন। দুপুর ১টার দিকে লটারি শুরু করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। লটারির শেষ মুহূর্তে এসে দু’টি কাজের লটারি বাকি থাকতে কাশাদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে খালের উপর প্রায় ৭২ লাখ টাকার সেতু নির্মাণের কাজটি লটারি না করতে ইউএনও এবং অংশগ্রহণকারী সব ঠিকাদারকে অনুরোধ করেন কুদরত আলী নামে এক নেতা। এ সময় অপর একটি কাজের দাবি জানায় আরেকটি গ্রুপ। এ ঘটনায় সাধারণ ঠিকাদাররা আপত্তি জানালে শুরু হয় উত্তেজনা। হল রুমের ভেতর ব্যাপক হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। শুরু হয় ধাক্কাধাক্কি ও মারামারি।
মেসার্স তাবিয়া এন্টারপ্রাইজের মালিক পারভেজ হাসান অভিযোগ করে বলেন, কুদরত আলীর অনুসারী ও অন্য নেতারা আমাকেসহ কয়েকজন ঠিকাদারের ওপর হামলা চালায়। এ সময় আমিসহ আহত হই আমিন ট্রেডার্সের কাজী জহির সুমন, নজরুল ট্রেডার্সের নজরুল ইসলাম। এ ঘটনায় ঠিকাদারদের বিক্ষোভের মুখে ইউএনও লটারি স্থগিত করে দেন। হামলার প্রতিকার চেয়ে ও হামলাকারীদের বিচার দাবিতে জেলা প্রশাসক বরাবর চিঠি দিয়েছেন জেলার ঠিকাদার নেতারা।
এ বিষয়ে নাগরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত ই জাহান বলেন, লটারির শেষ সময়ে এসে ঠিকাদারদের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির কারণে দরপত্রের লটারির সব কার্যক্রম বাতিল করা হয়েছে।