গ্রেফতার রনি হোসেন সদর উপজেলার ঝাউবাড়িয়া গ্রামের খায়রুল ইসলামের ছেলে ও স্প্রিড এনার্জি ড্রিংকস কোম্পানির স্থানীয় পরিবেশকের বিক্রয় প্রতিনিধি (এসআর) এবং রতন আলী একই উপজেলার আমদাহ গ্রামের অজুত আলীর ছেলে ও মেহেরপুর পল্লিবিদ্যুৎ সমিতির কর্মচারী।
মেহেরপুর থানার ওসি (তদন্ত) সাজেদুর রহমানের নেতৃত্বে বুধবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে রনিকে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পারগোয়ালগ্রাম থেকে এবং রতনকে নিজ গ্রাম আমদহ থেকে গ্রেফতার করেন।
.png)
এরা দুজনেই আবুল বাসার হত্যা মামলার এজাহার নামীয় এক ও দুই নম্বর আসামি।
বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মেহেরপুর সদর থানার তদন্ত অফিসার সাজেদুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে তারা পুলিশের গ্রেফতার এড়াতে বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন। তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে অভিযান চালানো হয়। বাকী আসামিদেরও গ্রেফতার করতে পুলিশ নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছেন।
উল্লেখ্য গত ২৬ জানুয়ারি সদর আমঝুপি গ্রামের আবুল বাসারের ছেলে মুদি দোকানি সালাউদ্দীনের সঙ্গে রাস্তার ওপরে স্পিডবেকার নির্মাণকে কেন্দ্র করে রতন ও রনি তাদের গাড়িতে থাকা রড দিয়ে সালাউদ্দীনকে পেটাতে থাকে।
আবুল বাসার তার ছেলেকে বাঁচাতে আসলে, ছেলেকে ছেড়ে দিয়ে তাকে রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে।
নিহত আবুল বাশারকে হত্যার ঘটনায় তার ছেলে সালাউদ্দিন বাদী হয়ে মেহেরপুর সদর থানায় ৯ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।