ঢাকা,  সোমবার   ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

৩৫০ থেকে এক লাফে ৫০২৪২, বিল দেখে ‘মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল’ ব্যবসায়ীর

মেহেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২০:২৬, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২২
৩৫০ থেকে এক লাফে ৫০২৪২, বিল দেখে ‘মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল’ ব্যবসায়ীর
ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিলের কপি ও ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী

মেহেরপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গাংনী জোনাল অফিসের আওতাধীন গাংনী হাসপাতাল বাজার এলাকার নুর মোহাম্মদ নামে এক গ্রাহকের ফেব্রুয়ারি মাসে বিদ্যুৎ বিল এসেছে ৫০ হাজার ২৪২ টাকা। অথচ গড়ে প্রতি মাসে তার বিল আসতো ৩৫০-৪৫০ টাকা। হঠাৎ এই বিরাট অংকের বিদ্যুৎ বিল দেখে ‘মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছে’ ঐ ব্যবসায়ীর।

ভুক্তভোগী গ্রাহক নুর মোহাম্মদ জানান, ২০১৩ সালে মিটারটি তিনি আবাসিক হিসেবে নিলেও পরবর্তীতে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গাংনী জোনাল অফিসের মাধ্যমে বাণিজ্যিক সংযোগে রূপান্তর করেন। সেভাবেই প্রতি মাসে বিল দিয়ে আসছিলেন। গত বছরের ডিসেম্বরে বিল আসে ৩৬০ টাকা এবং চলতি বছরের জানুয়ারিতে আসে ৪১৬ টাকা। কিন্তু চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ৫০ হাজার ২৪২ টাকা বিল এসেছে, যা পুরোপুরি অযৌক্তিক।

মিটারটির ব্যবহারকারী সোহেল রানা বলেন, হঠাৎ ৫০ হাজার ২৪২ টাকার বিদ্যুৎ বিল দেখার পর শনিবার আমি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গাংনী জোনাল অফিসের ডিজিএম-এর সঙ্গে দেখা করলে তিনি সংযোগের মূল মালিককে যোগাযোগ করতে বলেন। আমি যখন থেকে এই সংযোগ ব্যবহার করছি- তখন থেকে এক মাস ছাড়া প্রতিবারই বাণিজ্যিক বিল ধরা হয়েছে। কিন্তু কখনোই এমন ভুতুড়ে বিল আসেনি।

মেহেরপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গাংনী জোনাল অফিসের ডিজিএম আবুল কাশেম বলেছেন, গ্রাহকের সংযোগটি ২০১৩ সালে নেয়া। তখন সংযোগটি আবাসিক ছিল, পরে বাণিজ্যিক করা হয়। এ কারণে জরিমানা/ক্ষতিপূরণ বাবদ ৪৯ হাজার ১৭৬ টাকা এবং বাণিজ্যিক বীল হিসেবে প্রতি ইউনিটে ১০ টাকা ৩০ পয়সা ধরে মোট বিল ৫০ হাজার ২৪২ টাকা এসেছে।

২০১৩ সালে বাণিজ্যিক সংযোগের ইউনিট প্রতি ১০ টাকা ৩০ পয়সা ছিল কিনা জানতে চাইলে বিষয়টি এড়িয়ে যান ডিজিএম আবুল কাশেম।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!