নিহত ইয়াসিন ওই এলাকার মাওলানা মনিরুজ্জামান মনিরের ছেলে।
নিহতের শ্বশুর মানোয়ার ওরফে মানু অভিযোগ করে জানান, চোপদারপাড়া এলাকার ব্রাদার্স ক্লাবে বসে খেলছিলেন ইয়াসিন। রাত পৌনে ৮টার দিকে পূর্ব-শত্রুতার কারণে একই এলাকার স্বর্ণকার বাবু ও রুবেল তাকে এলোপাথাড়ি ছুরিকাঘাত করে চলে যান। স্থানীয়রা তাকে হাসপাতালে নিলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।
.png)
আরো পড়ুন: ঘাটাইলে ট্রাক-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪
প্রত্যক্ষদর্শী রাজিবুল হাসান জানান, ক্লাবে বসে খেলা করার সময় কয়েকজন সন্ত্রাসী এসে ইয়াসিন আরাফাতকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেন। পরে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়।
যশোর ২৫০ শষ্যা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সালাউদ্দিন বাবু বলেন, হাসপাতালে আনার পরই ইয়াসিনের মৃত্যু হয়েছে। প্রচণ্ড রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়।
যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তাসকিন আলম বলেন, প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে ইয়াসিন মারা গেছেন। তার নামে কোতোয়ালি থানায় হত্যা, চাঁদাবাজি, ছিনতাইসহ এক ডজন মামলা রয়েছে বলে জেনেছি। তার মামলার সংখ্যা খুঁজে দেখা হচ্ছে। এছাড়া ইয়াসিন হত্যার সঙ্গে জড়িতদের আটক করতে পুলিশের অভিযান চলছে।